Wifi স্লো হলে দ্রুত করার উপায়ঃ ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর ১৫ টি কার্যকর টিপস -
তো মানে পড়াশোনা অফিসের কাজ ইউটিউব দেখা গেম খেলা কিংবা অনলাইন মিটিং প্রায় সবকিছুর জন্যই আমাদের দ্রুত ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় ভালো ইন্টারনেট প্যাকেজ থাকা সত্ত্বেও কাজের সময় ওয়াইফাই স্লো হয়ে যায়। যা এটি আমাদের কাজে ব্যবহার ঘটা এবং বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ওয়েব খুলতে সময় লাগে, ভিডিও বার বার বাফারিং করে অথবা ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। অনেকেই মনে করেন ওয়াইফাই শুরু হওয়ার একমাত্র কারণ হতে পারে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি। আজকে আর্টিকেলে ওয়াইফাই স্লো হলে কি করবেন ওয়াইফাই স্পিড কিভাবে বাড়াবেন এবং রাউটারের ইন্টারনেট কানেকশন কিভাবে ঠিক করবেন সমস্যা বিষয়ে সহজভাবে আপনাদের বোধগম্য হিসেবে তুলে ধরা হলো।
পেজ সূচিপত্রঃ WiFi স্লো হলে দ্রুত করার উপায়: ১৫টি কার্যকর টিপস
WiFi স্লো হওয়ার প্রধান কারণ কী?
ওয়াইফ স্লো হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণত কারণগুলোর হলোঃ
WiFi channel congestion
রাউটারের অবস্থান ভুল হওয়া
একসঙ্গে একাধিক ডিভাইস কানেক্টেড থাকা
পুরনো রাউটার ব্যবহার করা
ইন্টারনেট প্যাকেজের স্পিড কম হওয়া
আইএসপি এর নেটওয়ার্ক সমস্যা
ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ডাউনলোড বা আপলোড হওয়া
দুর্বল ওয়াইফাই সিগনাল রাউটার ফার্মওয়্যার
রাউটার ফরম হোয়ার পুরোনো হাওয়া
সুতরাং ওয়াইফাই দূরত্ব করার আগে আপনার ওয়াইফাই এর সমস্যাটি আগে নির্ণয় করুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি যদি আপনার সমস্যা নির্বাচন না করতে পারেন তাহলে সমাধান কখনোই পাবেন না।
WiFi স্লো হলে দ্রুত করার উপায়?
নিম্নে ওয়াইফাই স্লো হওয়ার প্রধান 15 টি কারণ ও সমস্যার সমাধান দেখা করা হলো ⏬
১. Router Restart করুন
ওয়াইফাই স্লো মনে হলে সর্বপ্রথম যে কাজটি করবেন সেটি হচ্ছে রাউটার রিস্টার্ট করা। রাউটার দীর্ঘ সময় চালু থাকলে কখনো কখনো কানেকশন রিলেটেড সমস্যা দেখা দিতে পারে। রাউটার বন্ধ করে প্রায় ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট অপেক্ষা করে আবার চালু করুন। অনেক সাধারণ নেটওয়ার্ক সমস্যার স্টার্ট করার পরপরই ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা।
কিন্তু প্রতিবারই ওয়াইফাই স্লো হলেই রাউটার রিস্টার্ট করার প্রয়োজন নেই। যদি নিয়মিত এই সমস্যা হয় তাহলে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করে তারপরে সেটির সমাধান নেওয়া উচিত।
২. Router এর অবস্থান পরিবর্তন করা
আর ব্যবহৃত রাউটারটি কোথায় রাখা হয়েছে, সেটি ওয়াইফাই সিগন্যালের উপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। রাউটার সম্ভব হলে ঘরের মাঝামাঝি এবং তুলনামূলক উঁচু জায়গায় রাখতে হবে। এতে রাউটার থেকে সবচেয়ে ভালো সিগনাল পাওয়া যাবে।
রাউটার কেক সব জায়গায় রাখা যাবে নাঃ
ঘরের মেঝেতে
আলমারির ভেতরে
ধাতব জিনিসের পাশে
মাইক্রোওয়েভের কাছাকাছি
দেয়ালের একেবারে পাশে
বাসার অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের খুব কাছে
রাউটার যত ভালো জায়গায় থাকবে তত ভালভাবে ওয়াইফাই সিগন্যাল ছড়িয়ে পড়বে এবং তত ভালো এর ফলাফল পাওয়া যাবে।
৩. অপ্রয়োজনীয় Device Disconnect করা
আপনার বাসায় একটি ওয়াইফাই এর ওয়াইফাই সিগনাল নির্ভর করে আপনার ব্যবহারের উপর। যেমন আপনি যদি একটি ওয়াইফাই দিয়ে একা দিয়ে স্মার্টফোন ল্যাপটপ টিভি ক্যামেরা কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রিক ডিভাইস কানেক্ট করে থাকেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেই ওয়াইফাই রাউটারটি একটু দুর্বল হয়ে পড়বে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে একই ওয়াইফাই তে কেউ যদি ফোরকে ভিডিও স্ট্রিম করে থাকে এবং অন্য কেউ বড় ফাইল ডাউনলোড করে তাহলে অন্য ডিভাইসের ইন্টারনেট স্পিড কমে যেতে পারে।
তাই যতটুকু সম্ভব রাউটারের কানেক্টেড ডিভাইস লিস্ট দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস ডিসকানেক্ট করে দিন। এতে রাউটার কিছুটা ভালো সিগনাল দিতে পারবে।
৪. Router-থেকে দূরত্ব কমানো
আপনি যদি রাউটার থেকে অনেক দূরে থাকেন কিংবা আপনার ব্যবহৃত ওয়াইফাইটি যদি আপনার থেকে অনেক দূরে হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ওয়াইফাই সিগন্যাল একটু দুর্বল হতে পারে। বিশেষ করে একাধিক দেয়াল পার হয়ে ওয়াইফাই যখন আপনার ডিভাইসে কানেক্টেড থাকে তখন স্পিড কিছুটা বাধা গ্রস্থ হয়।
তাই আপনার যে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় সম্ভব হলে রাউটারের একটু কাছাকাছি অবস্থান করার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার ব্যবহৃত ওয়াইফাই এর সর্বোচ্চ সিগন্যাল পাবেন। যা আপনার কাজের গতিকে অনেক অংশ বৃদ্ধি করে দিবে।
আপনার বাসা বাড়ি যদি বড় হয়ে থাকে তাহলে ওয়াইফাই মেশিন বা ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করে দেখতে পারেন।
গেট অরিনোর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করবেন। আপনার মূল্যবান কমেন্ট এর রিপ্লে দেওয়া হবে।
comment url